পর্ব ১৪: রুক্মিণী হরণ – প্রেম, সাহস ও ধর্মের লীলা
রুক্মিণীর সংকল্প:
রুক্মিণী তাঁর এক বিশ্বস্ত দূতের মাধ্যমে কৃষ্ণকে একটি বার্তা পাঠান। সেই চিঠিতে তিনি লেখেন-
“হে কৃষ্ণ! তুমি যদি সত্যিই আমাকে গ্রহণ করতে চাও, তবে আমার বিবাহের দিন তোমাকে আমাকে হরণ করতে হবে।”
রুক্মিণীর ভাই রুক্মী চান তাঁর বোনের বিয়ে হোক কৃষ্ণের প্রতিদ্বন্দ্বী শিশুপাল এর সাথে। কিন্তু রুক্মিণী তাতে রাজি ছিলেন না।
কৃষ্ণের কৌশল:
রুক্মিণীর চিঠি পেয়ে শ্রীকৃষ্ণ তৎক্ষণাৎ দ্বারকা থেকে বিদর্ভের দিকে রওনা হন।
তিনি নির্দিষ্ট দিনে, রুক্মিণী যখন চণ্ডিকা মন্দিরে পূজা দিতে গিয়েছিলেন, সেই সময় রথে করে তাঁকে হরণ করেন।
পুরো রাজপরিবার হতবাক! রুক্মিণী নিজে খুশি ছিলেন কৃষ্ণের সাহসী আগমনে।
রুক্মীর প্রতিরোধ ও বলরামের আগমন:
রুক্মিণীর ভাই রুক্মী কৃষ্ণকে থামাতে সেনাবাহিনী নিয়ে আক্রমণ করেন। কিন্তু বলরাম এসে তাঁকে পরাজিত করেন।
রুক্মীকে কৃষ্ণ হত্যা করেননি, কিন্তু তাঁকে লজ্জায় ফেলে দিলেন—চুল কেটে অপমান করলেন।
প্রেম ও ধর্মের মিলন:
শেষমেশ কৃষ্ণ ও রুক্মিণীর বিবাহ অনুষ্ঠিত হয় দ্বারকায়। এটি ছিল প্রেম, সাহস, এবং ধর্মীয় আদর্শের মিলন।রুক্মিণী শ্রীকৃষ্ণের প্রথম ও প্রধান পত্নী ছিলেন। তিনি ছিলেন ভগবতী লক্ষ্মীর অবতার।
পরবর্তী পর্ব দেখতে এখানে ক্লিক করুন

0 Comments